সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

মে, ২০২৪ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

বিদায় অনুষ্ঠানের স্ক্রিপ্ট (নমুনা)

জনাব মোঃ আশরাফ উদ্দিন, রেক্টর বিপিএটিসি (সরকারের সচিব) , এঁর বিদায় অনুষ্ঠান, তারিখঃ ৩০-মে-২০২৪ ইং, সময়ঃ ১১.০০ ঘটিকা। বিদায় অনুষ্ঠানের সম্ভাব্য ক্রমধারা   ১) পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত  ২) কর্মচারী ক্লাব এর সাধারণ সম্পাদকের বক্তব্য ৩ ) কর্মচারী ক্লাব এর সভাপতির বক্তব্য ৪ ) জনাব রাজীব কুমার ঢালী, সহকারী পরিচালক এর বক্তব্য ৫) বিপিএটিসি স্কুল এন্ড কলেজের পক্ষ হতে মান পত্র প্রদান ৬) জনাব শামীম হোসেন, উপপরিচালক এর বক্তব্য ৭) জনাব হাসান মূর্তাজা মাসুম, পরিচালক এর বক্তব্য ৮) বিপিএটিসি স্কুল এন্ড কলেজের পক্ষ হতে মান পত্র প্রদান ৯) আঞ্চলিক লোক-প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রসমূহের পক্ষ হতে উপ-পরিচালক, আঞ্চলিক লোক-প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, রাজশাহী এর বক্তব্য ১০) লেডিস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদিকা এর বক্তব্য ১১) জনাব মোঃ আশরাফুজ্জামান, প্রকল্প পরিচালক এর বক্তব্য ১২)  জনাব মোঃ শাহীনূর রহমান, এমডিএস এর বক্তব্য ১৩) জনাব  মোঃ মনিরুল ইসলাম, এমডিএস এর বক্তব্য ১৪) জনাব মোঃ জাকির হোসেন, এমডিএস এর বক্তব্য ১৫) বিদায়ী রেক্টর মহোদয়কে ফুল এবং বিদায়ী উপহার প্রদান  ...

রাত্রির নৈশব্দে অবগাহন

গুটি গুটি পায়ে এলো রাত্রি গাছের ছায়ায় রং মিলিয়ে, স্তব্ধ নগরী তখন চাঁদিনী পোহায় অগোছালো চিকুর ঘাড়ে এলিয়ে। মত্ত নৈশব্দ ভোলায় ক্লান্ত দিবসটিকে চোখে দেয় কল্পনার আলপনা আঁকিয়ে; নিশির ছোয়া লাগে পাপড়ি পাতায় জাগে প্রিয়ার চাহনি; অভিমানী মুখ ফুলিয়ে। আমায় ডাকে তবু হলুদ জোনাকদল বেদনার জলে মন ডোবাতে; নষ্ট তপন মোছে সুখের কুঁয়াশা কষ্টের নীল রঙ্গে রাঙ্গাতে। বাতায়নে দেখি পূবের আকাশ, সেতারা খুলেনি তার দোর; আঁধারের মায়াবী জগৎ জুড়ে চাঁদটি একাকী জেগে; জোস্নাময় ঘোর। নিরবে বহে সময়, সর্পিল দীর্ঘিকা- ছলাৎ ছল ইছামতীর জল দোল খায় মনে ফেরারী স্মৃতি ঝরে ফুল; নিয়তির হিজল। ত্রিকাল আজি একাকার অতীত, ভবিষ্য আর সমকাল, হারানো সুর বাজে হৃদয় গহীনে কাল জুড়ে মগ্ন চৈতন্যের জয়গান। কি চাহ রজনী? কেন অমন মায়াবী তোমার ঘোর?? কেন চোখে ঢালো নির্ঘুমতা! হৃদয়কে হরন কর মোর!! আবৃত্তি: https://youtube.com/watch?v=V5q4OA9trGA&si=MXzjm2abkvdEk7Nd

রাত্রির নৈশব্দে অবগাহন।

গুটি গুটি পায়ে এলো রাত্রি গাছের ছায়ায় রং মিলিয়ে, স্তব্ধ নগরী তখন চাঁদিনী পোহায় অগোছালো চিকুর ঘাড়ে এলিয়ে। মত্ত নৈশব্দ ভোলায় ক্লান্ত দিবসটিকে চোখে দেয় কল্পনার আলপনা আঁকিয়ে; নিশির ছোয়া লাগে পাপড়ি পাতায় জাগে প্রিয়ার চাহনি; অভিমানী মুখ ফুলিয়ে। আমায় ডাকে তবু হলুদ জোনাকদল বেদনার জলে মন ডোবাতে; নষ্ট তপন মোছে সুখের কুঁয়াশা কষ্টের নীল রঙ্গে রাঙ্গাতে। বাতায়নে দেখি পূবের আকাশ, সেতারা খুলেনি তার দোর; আঁধারের মায়াবী জগৎ জুড়ে চাঁদটি একাকী জেগে; জোস্নাময় ঘোর। নিরবে বহে সময়, সর্পিল দীর্ঘিকা- ছলাৎ ছল ইছামতীর জল দোল খায় মনে ফেরারী স্মৃতি ঝরে ফুল; নিয়তির হিজল। ত্রিকাল আজি একাকার অতীত, ভবিষ্য আর সমকাল, হারানো সুর বাজে হৃদয় গহীনে কাল জুড়ে মগ্ন চৈতন্যের জয়গান। কি চাহ রজনী? কেন অমন মায়াবী তোমার ঘোর?? কেন চোখে ঢালো নির্ঘুমতা! হৃদয়কে হরন কর মোর!! কবিতা: রাত্রির নৈশব্দে অবগাহন। লেখা: মোহাম্মদ বাহা উদ্দীন। আবৃত্তি: https://youtu.be/V5q4OA9trGA?si=EumYcLMWQkfMS96N

মনযিলের খোঁজে..

জিবন সতত প্রবাহমান একটি নদী। এ নদীতে প্রমত্ত হয় সময়ের ঢেউ, আন্দোলিত হয় কালের ঘনঘটা, শঙ্খ বাঁজায় দুরের মেঘ আর মায়াজাল ফেলে অমাবস্যা আঁধার। শুকনো পাতার মর্মর শব্দের ধ্বনি-প্রতিধ্বনি ভেঙ্গে একদিন জলঘাটে পা ফেলেছিলাম, তাকিয়ে দেখি বন্দরের পাতাটন কাঁপে জোয়ারের ধাক্কায়, আমি প্রমোদ গুনলাম। এই ভরা নদী দুস্তর, নদীর গাত্র ভরা সর্পকুল দুর্মর; আমি কি করে ওপারে পানসী ভেড়াই!!! নদীর নাব্যতা হাটুঁজলে মেপে আমি জল সিঞ্চনে নেমে পড়লাম। ওপরে চাঁদিনী নীল জোস্নার মায়ায় বাঁধতে চাইলো, সূর্য-তাপে হৃদয় গলাতে চাইলো, কিন্তু হার আমি মানলাম না! আঁধারে হাত ডুবিয়ে যখন কেশাগ্রটিও ঠাহর হলো না তখন জোনাক আলোকেই নিতান্ত পথের নিশান ভেবে পথ চললাম। সওদা নেই, পাথেয় নেই, পথে সঙ্গী শুধু কালের ধুলো আর দু-চার খানি খসড়া কবিতা। মনযিল কতো দুরে আমি জানি না, শুধু দেয়ার ডঙ্কা নিনাদে বুঝতে পারি এ তেপান্তর জলরাশি পাড়ি দিলেই ওপারে মিলবে জনবসতি, সভ্যতার কলকারখানা; যেখানে জন্মকুটিরে শ্রান্ত দেহ এলিয়ে ক্ষান্তি মিলবে দীঘল সফরের। আমি জলে তরী ভাসালাম! পর্বতসম ঢেউ আর হিংস্র যত সর্পযুগল তরী ঘিরে ধরলো, তারা আমাকে কিছুতেই ওপার সর্গে যেতে দেবে না। প...

Self-Assessment and Reality

Self-assessment is the most critical and may be the most biased thing. Moreover, we may indulge in wrong perceptions while judging ourselves by looking into our own mirror. Sometimes we overrate ourselves, and sometimes we underrate ourselves. Education and skills not only add value to us, but also create boosts and ergotisms. Bedsides, some people also underrate themselves while comparing themselves to others who are merely in a batter position to them. In a hadith, Rasul (s.m.) says, "Believes (Muslims) are mirrors one to another. A man cannot see his own nose without a mirror; hence, the other Muslim will act as a mirror to his fellow brother, he will give him positive feedback and corrections as though he can rectify his mistakes" (Tirmizi). But hush to today's society! If you tell somebody about one of your shortcomings or somehow it unveils, then the other will make a mountain of a mole hill, rather than giving him positive feedback or telling him what he actually i...

নির্ঘুম ভাবনা!

গুটি গুটি পায়ে এলো রাত্রি গাছের ছায়ায় রং মিলিয়ে, স্তব্ধ নগরী তখন চাঁদিনী পোহায় অগোছালো চিকুর ঘাড়ে এলিয়ে। মত্ত নৈশব্দ ভোলায় ক্লান্ত দিবসটিকে চোখে দেয় কল্পনার আলপনা আঁকিয়ে; নিশির ছোয়া লাগে পাপড়ি পাতায় জাগে প্রিয়ার চাহনি; অভিমানী মুখ ফুলিয়ে। আমায় ডাকে তবু হলুদ জোনাকদল বেদনার জলে মন ডোবাতে; নষ্ট তপন মোছে সুখের কুঁয়াশা কষ্টের নীল রঙ্গে রাঙ্গাতে। বাতায়নে দেখি পূবের আকাশ, সেতারা খুলেনি তার দোর; আঁধারের মায়াবী জগৎ জুড়ে চাঁদটি একাকী জেগে; জোস্নাময় ঘোর। নিরবে বহে সময়, সর্পিল দীর্ঘিকা- ছলাৎ ছল ইছামতীর জল দোল খায় মনে ফেরারী স্মৃতি ঝরে ফুল; নিয়তির হিজল। ত্রিকাল আজি একাকার অতীত, ভবিষ্য আর সমকাল, হারানো সুর বাজে হৃদয় গহীনে কাল জুড়ে মগ্ন চৈতন্যের জয়গান। কি চাহ রজনী? কেন অমন মায়াবী তোমার ঘোর?? কেন চোখে ঢালো নির্ঘুমতা! হৃদয়কে হরন কর মোর!!

পূণ্যভূমি আল-আকসা

পূণ্যে তোমার ধন্য ভূমি, হে মসজিদ আকসা! তোমার চৌহদ্দিতে রেখেছেন খোদা, অপার বারাকা। কালে কালে এসেছেন অসংখ্য নবী, রহমতের আম্বিয়া এসেছেন মুসা, এয়াকুব-ইউসুফ; ইসহাক-আল ইয়াসা। আরো এলেন নবী মোহাম্মদ, মহান মিরাজ রাতে; বোরাক চড়ে গেলেন রসুল; আরশে মুয়াল্লাতে। যুগে যুগে তবু ক্ষত-বিক্ষত তুমি; হায়েনার হিংস্র থাবায় বাস্তুচ্যুত তোমার ভূমিপুত্ররা; উচ্ছেদিত হয়েছে অবলীলায়। রক্তে ভেসেছে কোমল মৃত্তিকা; বয়েছে অশ্রুর-ফোরাত আবাল বণিতার করুন রোদনে; নির্ঘুম জেগেছে হেরাত। ভূ-মধ্য সাগর লোহিত হয়েছে, জনম জনম ভরে মানবতা বারি বার পৃষ্ঠ হয়েছে, শত যুদ্ধের পদতলে। শতাব্দী পাল্টায়; তবু বদলায় না তোমার রক্তে ভেজা ক্ষণ দুখিনী মা হয়ে কেমন সহো? সন্তানদের নির্মম বি-ক্ষণ! হানাদাররা আসে সম্রাজ্যাবাদী ছলে; কিংবা ক্রসেড ছায়ায়, কখনো আসে মানবতার বুলি মুখে, খঞ্জর অস্তিনে-জামায়। তোমার আব্রু রক্ষায় জন্মেছে বীর; প্রত্যাহিক যামানায়, মুসা রুখেছে জল্লাদ ফেরাউন; সালাহ্দ্বীন-রা ক্রুসেডার তাড়ায়। বিংশ শতাব্দী অস্ত গিয়াছে, নতুন কাঁদন সুরে। জায়েনবাদীরা হেনেছে আঘাত; তোমার পবিত্র দুয়ারে। নিপুণ ছলনায় করছে দখল, মুক্ত স্বাধীন ভূমি ...

নয়া সফরের আহবান!

উঠেছে ঝড় জিবন সমুদ্র সফেনে তবু কতো কাল হেয়ালি রইবো, কে জানে? বন্দর পাটাতন কাঁপছে থরথর, আজি ভাঙ্গবে সবি, হৃদৃয়; বাড়ি-ঘর। দুর্গম আগামী, হৃত স্বপ্ন; আজিকার লোনা কাব্য, ত্রাহিত বেদন, প্রান্তহীন পথ; মূ্র্ছিত জিবনের পদ্য। তবু হয় নি মননের উন্মেষ, বিকাশ আহরণ! জিবন যেন আধ-নিদ্রা, আধ- জাগরণ। জানি না কবে মিনারের সুরে হৃদয় জাগিবে ফের, মিহরাব ছু্ঁয়ে আলোকিত মননের ছবি আঁকিবে ঢ়ের। ফের ভাসাবে খেয়া-তরী, নবীন লক্ষ্য পানে, প্রলয়ের টুটি ছিড়িবে মাঝি; সিন্দাবাদী আযানে।

দেশভাগ: ইতিহাসের এক করুণ প্রহসন!

গঙ্গা-যমুনা-ব্রক্ষপুত্র বিধৌত এই উপমহাদেশ নানা জাতী , বর্ণ , ভাষা এবং সংস্কৃতির এক অদ্ভুত সম্মিলন ছিলো। আর্য , মৌর্য , সেন , পাল , রাজপুত , চৌহান , তুর্কি , পাঠান-মোঘলরা পালাক্রমে এই দেশ শসন করলেও কখনো সাম্প্রদায়িক বিভেদের তিক্ত দেয়াল তৈরী করে নি। এখনো এদেশে তারা শুধুমাত্র শোষন অতঃপর ভীনদেশে সম্পদ পাচার এই মনোভাব নিয়ে উপমহাদেশে আসে নি , বরং প্রত্যেকেই এদেশেই তাদের ভিটে গড়েছিলো। কিন্তু একমাত্র বৃটিশরাই এসেছিলো সম্রাজ্যবাদের সর্বগ্রাসী রূপ নিয়ে। এদেশে তারা এসেছিলো ক্ষমতা দখল করে উপনিবেশ সৃষ্টি করে , সম্পদ লুন্ঠন করে স্বদেশে পাঠাতে। প্রায় দুইশত বছর ধরে বৃটিশরা শোষণ চালিয়ে যায়। নানা ধর্ম-বর্ণের বৈচিত্র্যে রাঙ্গা এই উপমহাদেশকে সহজে শাসন ও শোষণ লক্ষ্যে তারা নানা ধর্ম ও গোষ্ঠীর মধ্যে সাম্প্রদায়িকতার সংকীর্ণতা এবং বিভেদের দেয়াল তৈরী করে। সেই দীর্ঘ শোষণ ছায়া ফেলে দেশ ভাগের করুণ বিচ্ছেদে। সাম্প্রদায়িক বিষ পাম্পে দেশে তীব্র হিন্দু-মুসলমান বৈরীতা সৃষ্টি হয়। যুগ যুগ ধরে হিন্দু-মুসলিম পাশাপাশি শান্ত-সুন্দর প্রতিবেশে অবস্থান করলেও তাতে ফাটল ধরে। প্রতিবেশী একে অপরের সেই দীর্ঘকালের সৌহার্দ্য ভুলে যায় ...