জনাব মোঃ আশরাফ উদ্দিন, রেক্টর বিপিএটিসি (সরকারের সচিব), এঁর বিদায় অনুষ্ঠান, তারিখঃ ৩০-মে-২০২৪ ইং, সময়ঃ ১১.০০ ঘটিকা।
বিদায় অনুষ্ঠানের সম্ভাব্য ক্রমধারা
১) পবিত্র
কুরআন তেলাওয়াত
২) কর্মচারী
ক্লাব এর সাধারণ সম্পাদকের বক্তব্য
৩) কর্মচারী ক্লাব এর সভাপতির বক্তব্য
৪) জনাব রাজীব কুমার ঢালী, সহকারী পরিচালক এর বক্তব্য
৫) বিপিএটিসি
স্কুল এন্ড কলেজের পক্ষ হতে মান পত্র প্রদান
৬) জনাব শামীম
হোসেন, উপপরিচালক এর বক্তব্য
৭) জনাব হাসান
মূর্তাজা মাসুম, পরিচালক এর বক্তব্য
৮) বিপিএটিসি
স্কুল এন্ড কলেজের পক্ষ হতে মান পত্র প্রদান
৯) আঞ্চলিক
লোক-প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রসমূহের পক্ষ হতে উপ-পরিচালক, আঞ্চলিক লোক-প্রশাসন
প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, রাজশাহী এর বক্তব্য
১০) লেডিস
ক্লাবের সাধারণ সম্পাদিকা এর বক্তব্য
১১) জনাব মোঃ
আশরাফুজ্জামান, প্রকল্প পরিচালক এর বক্তব্য
১২) জনাব মোঃ শাহীনূর রহমান, এমডিএস এর বক্তব্য
১৩) জনাব মোঃ মনিরুল ইসলাম, এমডিএস এর বক্তব্য
১৪) জনাব মোঃ
জাকির হোসেন, এমডিএস এর বক্তব্য
১৫) বিদায়ী
রেক্টর মহোদয়কে ফুল এবং বিদায়ী উপহার প্রদান
১৬) বিদায়ী
রেক্টর মহোদয় এর বক্তব্য
১৭) পরিচালক (প্রশাসন) এঁর ধন্যবাদ জ্ঞাপন
১৮) অনুষ্ঠানের
সমাপ্তি এবং চা চক্রের আমন্ত্রণ
(সম্মানীয় সুধীমন্ডলী,
বিপিএটিসি’র মান্যবর রেক্টর মহোদয় আমাদের মাঝে উপস্থিত হয়েছেন। শ্রদ্ধেয় এমডিএসবৃন্দকে
অনুরোধ করছি রেক্টর মহোদয়কে নিয়ে মঞ্চে নির্ধারিত আসন গ্রহণ করবার জন্যে।)
উপস্থিত সুধী, শুভ সকাল, আসসালামু আলাইকুম।
বিপিএটিসি এর সবুজ অঙ্গিনায় বছরজুড়েই নানা আয়োজন লেগে থাকে। তবে আজকে আয়োজনটি
অন্যান্য সকল আয়োজন হতে ভিন্নতর। বাংলাদেশ লোক-প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের
সম্মানিত রেক্টর জনাব মো: আাশরাফ উদ্দিন, (সরকারের সচিব) মহোদয় কর্মস্থল বদলিজনিত
কারনে আজ বিদায় নিতে যাচ্ছেন। মহোদয়ের বিদায়ে কেন্দ্র আজ বিদায়ী আবেগে ঘনীভূত।
সুধীমন্ডলী;
সিলেট জেলার সূর্যসন্তান জনাব মো: আশরাফ উদ্দিন বাংলাদেশ লোক-প্রশাসন
প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (বিপিএটিস) এর রেক্টর (সরকারের সচিব) হিসেবে ০১লা জানুয়ারি ২০২৩
তারিখ যোগদান করেন। রেক্টরের দায়িত্ব নেওয়ার পূর্বে তিনি বিভাগীয় কমিশনার,
চট্টগ্রাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
জনাব মোঃ আশরাফ উদ্দিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবস্থাপনায় স্নাতক ও
স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করেন। ত্রয়োদশ বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ১৯৯৪ সালে
প্রশাসন ক্যাডারে চাকুরীতে যোগদান করেন। দীর্ঘ কর্ম-জিবনে মাঠ-প্রশাসন,
মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর-পরিদপ্তর, নানা সংস্থা এবং প্রধান মন্ত্রীর কার্যালয়সহ
প্রশাসনের সকল ছিলো স্তরে ছিলো তার সফল পদচারনা।
তিনি সহকারী কমিশনার হিসেবে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, গাইবান্ধায় কর্মজীবন
শুরু করেন। পরবর্তীতে গাইবান্ধা সদর উপজেলায় সহকারী কমিশনার (ভূমি), মাগুরা জেলা
প্রশাসকের কার্যালয়ে সিনিয়র সহকারী কমিশনার,
সরাইল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া এবং জামালগঞ্জ, সুনামগঞ্জ এঁরউপজেলা নির্বাহী অফিসার
এবং পরবর্তীতে তিনি বগুড়া এবং যশোর জেলার জেলা প্রশাসক হিসেবে দক্ষতার সাথে
দায়িত্বপালন করেন।
মন্ত্রণালয় ও সংস্থা পর্যায়ে জনাব মো: আশরাফ উদ্দীন খাদ্য ও দুর্যোগ
ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ে সিনিয়র সহকারী সচিব; পরিবেশ
অধিদপ্তর এবং সরকারি আবাসন পরিদপ্তর, ঢাকা-এর পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
জনাব মোহাম্মদ আশরাফ উদ্দীন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের একান্ত সচিব,
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক এবং মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্বপালন করেন।
এছাড়াও তিনি বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ এর চেয়ারম্যান এবং
পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেন।
বিপুল সমারোহের এই কর্ম-জিবনে জনাব মো: আশরাফ উদ্দিন অত্যন্ত বর্ণাঢ্য ও
সাফল্যমণ্ডিত জিবন অতিবাহিত করে আরো উচ্চতর সোপানে পদাসীন হতে চলেছেন। আজ তাঁর এই
বিদায় প্রকারান্তরে তাঁর উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ প্রত্যাশায় শুভ কামনা এবং অভিনন্দন বহন
করছে। যাঁর জন্যে আজকের এই আয়োজন বিপিএটিসি’র বিদায়ী কেন্দ্রপাল-রেক্টর মহোদয়কে
জানাই অনি:শেষ কৃতজ্ঞতা আমাদের মাঝে তাঁর উপস্থিতির জন্য।
সম্মানীয় উপস্থিতি, বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের শুরুতেই থাকছে পবিত্র কুরআন
তেলাওয়াত। পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করতে মঞ্চে আসতে অনুরোধ জানাচ্ছি মাওলানা
মোঃ আশরাফুজ্জামানকে, ইমাম, বিপিএটিসি জামে মসজিদ।
ধন্যবাদ, মাওলানা মোঃ আশরাফুজ্জামান।
প্রিয় সুধী!
কেন্দ্রের সকল পর্যায়ের কর্মীগণের জন্যে রেক্টর মহোদয় ছিলেন নিবেদিত প্রাণ।
কেন্দ্রের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য তার দ্বার ছিলো সর্বদা উন্মুক্ত।
বিপিএটিসিতে মহোদয়ের বদান্যতাভর দিনগুলোগুলোর স্মরণে বিপিটিসি’র কর্মীবৃন্দের পক্ষ
হতে বক্তব্য রাখতে মঞ্চে আসছেন জনাব মোঃ জাকির হোসেন, সাধারন সম্পাদক, বিপিটিসি,
কর্মচারী ক্লাব।
ধন্যবাদ, জনাব মোঃ জাকির হোসেন।
কত শত স্মৃতি কেঁদে উঠে
বড় স্ব-করুন সুর,
বিরহে কাতর স্মৃতি যেন বলে
বিদায় তুমি বড় নিষ্ঠুর।
মহোদয়ের বিদায়বেলায় এ পর্যায়ে বিপিটিসি, কর্মচারী ক্লাবের পক্ষ হতে স্মৃতিচারন
করতে মঞ্চে আসছেন জনাব আবু বকর সিদ্দিক, সভাপতি,
বিপিটিসি, কর্মচারী ক্লাব।
ধন্যবাদ, জনাব আবু বকর
সিদ্দিক।
‘পুরানো সেই দিনের কথা ভুলবি কিরে হায়
ও সেই চোখের দেখা, প্রাণের কথা, সেকি ভোলা যায়’
ঠিক তাই, স্মৃতিময় সময়গুলো কখনোই বিস্মৃত হয়না, চাইলেও
যায়না ভোলা।
প্রিয় সুধী, এবারে পুরানো দিনগুলো থেকে অনুভূতির কথা ব্যক্ত করতে আসছেন জনাব রাজীব কুমার ঢালী, সহকারী পরিচালক।
ধন্যবাদ, জনাব রাজীব কুমার ঢালী, সহকারী
পরিচালক।
ঘনিয়ে এসেছে বিদায়ের বেলা, সাধ্যি নেই ধরে রাখি!
অশ্রু জলে সিক্ত, এই মর্মাহত আঁখি।
তবুও আমারা দেব বিদায় হাসি আনন্দের ছলে
স্মৃতি-অমলিন দিনগুলো যেন, না হারায় কালের জলে।
শ্রদ্ধেয়
রেক্টর মহোদয় এঁর বিদায় উপলক্ষ্যে বিপিএটিসি স্কুল এন্ড কলেজের পক্ষ হতে মানপত্র পাঠ করবেন
জনাব শর্মিলা ইয়াসমিন শিক্ষক, বিপিএটিসি স্কুল এন্ড কলেজ।
ধন্যবাদ মহোদয়কে।
এপর্যায়ে রেক্টর মহোদয়কে মানপত্র প্রদান করতে মঞ্চে আহ্বান করছি, বিপিএটিসি স্কুল এন্ড কলেজ এঁর প্রতিনিধিদলকে।
ধন্যবাদ বিপিএটিসি স্কুল এন্ড কলেজ কর্তৃপক্ষ।
“Goodbyes are not forever, are not the end: it simply
means I’ ll miss you until we meet again”
ঠিক তাই! চলে যাওয়া মানেই প্রস্থান নয়। সম্মানীয় উপস্থিতি, বিদায়ের এই ক্ষণে অনুভূতি
ব্যক্ত করতে মঞ্চে আসবেন জনাব শামীম হোসেন, উপপরিচালক মহোদয়।
ধন্যবাদ,
উপপরিচালক মহোদয়কে।
জন্ম-
জন্মান্তরে বৈদগ্ধ এই ভবে
নহে কিছু শ্রেয়
বেধনা-বিধুর; বিদায়
অনুভবে।
প্রিয় ফুল ঝরে
যায়
প্রিয় নদী মরে
যায়
প্রিয় জন চলে
যায়
আর রেখে যায়
শুধু স্মৃতি আর স্মৃতি।
সম্মানীয় সুধী, এই পর্যায়ে কেন্দ্রে রেক্টর মহোদয়ের কর্মকালীন
দিনগুলোর স্মৃতি ধারণ করে বক্তব্য রাখতে এবারে মঞ্চে আসবেন জনাব
হাসান মূর্তাজা মাসুম, পরিচালক মহোদয়।
ধন্যবাদ, পরিচালক মহোদয়কে।
“আজ চলে যাব বলে
কোরো নাকো সংশয়
ডাক দিলে পাবে সাড়া
চিঠি দিলে উত্তর”
বিশ্বাস অটুট থাকুক আমাদের, পাবো তাঁকে সময়ের আহবানে।
সম্মানীয় উপস্থিতি, আয়োজনের এই পর্বে অনলাইনে যুক্ত হয়ে আঞ্চলিক লোক-প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রসমূহের
পক্ষ হতে বক্তব্য রাখবেন উপ-পরিচালক, আঞ্চলিক লোক-প্রশাসন প্রশিক্ষণ
কেন্দ্র, রাজশাহী এর উপ-পরিচালক জনাব আবদুল্লাহিল
বাকী।
ধন্যবাদ, জনাব আবদুল্লাহিল বাকী।
‘দূরে থাকা আর ভুলে
থাকা
এক কথা নয়।
দূরে থাকলেই যে ভুলে থাকবে
তেমনটি নাও হতে পারে’
তেমনটি না হবার কথা-এবারে যাঁর বক্তব্যে প্রতিধ্বনিত হবে তিনি জনাব মোসাম্মৎ শাহিনা আক্তার, সাধারণ সম্পাদিকা, বিপিএটিসি লেডিস ক্লাব। অনুরোধ করছি, তাঁকে মঞ্চে আসবার জন্যে।
ধন্যবাদ জনাব মোসাম্মৎ শাহিনা আক্তার।
৫৪ একরের ছোট্ট এই প্রাণবন্ত প্রাঙ্গনে কিছুকাল আগেও পথ
হেঁটেছেন একসঙ্গে, একে-অপরের সঙ্গে বিনিময় করেছেন নিত্যকার সুখ-দুঃখের
অভিজ্ঞতাগুলো। সুধীমণ্ডলী, স্মৃতির ডায়েরির পাতাগুলো রোমন্থন করতে মঞ্চে আসছেন জনাব
মোঃ আশরাফুজ্জামান, প্রকল্প পরিচালক।
ধন্যবাদ, প্রকল্প পরিচালক মহোদয়কে।
“নেতৃত্ব কোনও টাইটেল বা পদ নয়, নেতৃত্ব হলো একজন মানুষের অন্যদের প্রভাবিত ও অনুপ্রাণিত
করার ক্ষমতা”- বিপিএটিসিতে অবস্থানকালে এই শিক্ষাটিই আমরা সম্ভবত পেয়েছি রেক্টর মহোদয়ের
কাছ থেকে।
মহোদয়ের সুযোগ্য নেতৃত্ব গুণাবলী নিয়ে স্মৃতি-চারনমূলক বক্তব্য নিয়ে আসছেন
জনাব মোঃ শাহীনূর রহমান, এমডিএস, বিপিএটিসি।
ধন্যবাদ, এমডিএস মহোদয়কে।
হে বিদয়ী রবি! অস্ত যাবার কালে, আলো জ্বেলো জিবনের সারে সারে
না জানি কি ক্রন্দন নিনাদ পড়ে আজি তোমার বিদায়ে, হৃদয়ের ঘরে ঘরে।
সম্মানীয় সুধী, বিদায় বেলার এই আয়োজনে এবারে বক্তব্য প্রদান করবেন জনাব মোঃ
মনিরুল ইসলাম, এমডিএস, বিপিএটিসি।
ধন্যবাদ, এমডিএস মহোদয়কে।
“বিদায় সুর বাজে
নিরব অমোঘ সাজে
অভিমানী মন শোনেনা বারণ
নিঃশব্দে ঝরে দু নয়ন”
সম্মানীয় সুধী, বিদায় বেলার এই আয়োজনে এবারে বক্তব্য প্রদান করবেন মোঃ জাকির
হোসেন, এমডিএস মহোদয়।
ধন্যবাদ, এমডিএস মহোদয়কে।
সম্মানীয় সুধী, এবারে মান্যবর রেক্টর মহোদয়কে বিপিএটিসি পরিবারের পক্ষ হতে ফুল
এবং বিদায়ী স্মারক উপহার হিসেবে প্রদান করার
পালা।
প্রথমেই রেক্টর মহোদয়কে বিদায়ী ফুলেল শুভেচ্ছা প্রদান
করবে কর্মচারী ক্লাব, বিপিএটিসি।
এপর্যায়ে, ফুল প্রদান করতে মঞ্চে আসবে বিপিএটিসি
স্কুল এন্ড কলেজ।
প্রকল্প-পরিচালকের দপ্তর হতে বিদায়ী স্মারক প্রদান করতে
মঞ্চে আসছেন প্রকল্প পরিচালক, জনাব মোঃ
আশরাফুজ্জামান।
সর্বশেষ,বিপিএটিসি অফিসার্স ক্লাবের পক্ষ হতে ফুল
প্রদান করতে মঞ্চে আরোহন করবেন
জনাব ............
সুধীমণ্ডলী, করতালির মাধ্যমে বিশেষ এই মুহূর্তটিকে আমরা স্মরণীয় করে রাখতে
পারি।
ধন্যবাদ। সকলকে।
‘বিদায় বেলার ক্রান্তিলগ্নে ভারাক্রান্ত মনে
কোন ভাষাতে জানাবো বিদায় ভাবছি ক্ষণে ক্ষণে
তবু আজি ‘বিদায় মঞ্চে’ দাঁড়াতে হলো মোরে
ভালোবাসা দিও, দোয়া দিও, বিদায় কালের তরে’।
সম্মানীয় উপস্থিতি, যাঁর জন্যে আজকের এই আয়োজন, এবারে তাঁর কথা শুনবো আমরা।
বক্তৃতা মঞ্চে আসার জন্যে বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি কেন্দ্রের বিদায়ী মান্যবর রেক্টর
জনাব মোঃ আশরাফ উদ্দিন, সরকারের সচিব মহোদয়কে।
সুপ্রিয় সুধী, মান্যবর রেক্টর মহোদয়...............।
অশেষ কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা, মান্যবর রেক্টর মহোদয়ের প্রতি তাঁর মূল্যবান বক্তব্য
প্রদানের জন্যে। সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনাদ রইল তাঁর আগামীর দিনগুলো ও পথচলা যেন হয় মসৃণ, সুন্দর ও সাবলীল।
কবির ভাষায় তাই প্রার্থনাছলে বলছি,
এ বিদায় নহে চন্দ্রমা তোমায়, জলে হারাবার,
এ বিদায় হলো সূর্য হয়ে নতুন জন্ম নিবার।
পরিশেষে, ধন্যবাদ জ্ঞাপনের পালা। মহতী এই অনুষ্ঠান আয়োজক দলের
পক্ষ হতে এঁর ধন্যবাদ জ্ঞাপন করতে মঞ্চে আহ্বান করছি পরিচালক
(প্রশাসন) মহোদয়কে।
ধন্যবাদ, পরিচালক (প্রশাসন) মহোদয়।
সুপ্রিয় সুধী, মান্যবর বিদায়ী রেক্টর মহোদয়ের কথনের মধ্য দিয়েই আজকের এই বিদায়
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের সকল আয়োজন সম্পন্ন হলো। এই পর্যায়ে, উপস্থিত সকলকে মিলনায়নের
বাহিরে চা-চক্রে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। মিলনায়তনের পশ্চিম পার্শ্বে অনুষদ
সদস্যবৃন্দর জন্য এবং পূর্ব পার্শ্বে কর্মচারীদের জন্যে নির্ধারিত আয়োজন রয়েছে।
সম্মানীয় উপস্থিতি, রেক্টর মহোদয় মঞ্চ থেকে নামবার সময় আপনাদের সকলকে অনুরোধ
করছি, নিজ স্থান থেকে দাঁড়িয়ে কেন্দ্রের মান্যবর রেক্টর মহোদয়ের প্রতি শ্রদ্ধা
জ্ঞাপন করার জন্য এবং করতালির মাধ্যমে তাঁকে সম্মানিত করবার জন্যে।
আপনারা প্রত্যেকেই ভাল থাকুন, সুস্থ ও নিরাপদ থাকুন । ধন্যবাদ।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন