সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

সেপ্টেম্বর, ২০১৯ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

রাত্রীর লঞ্চে চাঁদপুরে..

জন্ম-বসত যখন দু-তিনটে শহরজুড়ে বিস্তৃত, তখন অনেক কিছুই কাকতালীয়ভাবে ঘটে, আবার তেমনি কখন কোথায় যাচ্ছি-থাকছি তাও খুব আগ থেকে বলে দিতে পারি না। গেলো রোজার ঈদে ঢাকা ছাড়ার দুদিন আগেও জানছি ঈদটা চট্টগ্রামেই করবো, কিন্ত শেষ মুহুর্তে এসে বাবা জানালেন এবার সবাই চাঁদপুরে ঈদ করবো, ব্যাস চলে গেলাম। কোরবানীর ঈদে টঙ্গীতে মামার বাসায় গেলে নানু জেদ করলেন টঙ্গীতেই ঈদ করতে, আমারও অনিচ্ছা ছিলো না, ডজন খানেক পিচ্ছি কাজিন নিয়ে ঈদটা ভালোই জমতো। কিন্তু শেষ মুহুর্তে মহানগর প্রভাতী চেপে চট্টগ্রামে ছুটলাম বাবা মায়ের সাথে ঈদ করবো বলে। টিকেট কেটেও অত্যাধিক ভীড়ে সিটে পৌছতে না পেরে দরজায় ঝুলে থাকার অভিজ্ঞতা খুব করুণ হয়েছিলো। শেষে লোকারন্য কিছু উজাড় হলে সিটে গিয়ে বসলাম, কিন্তু দেখলাম হাত-পা একেবারে কাঁপছে পাড়ার বুড়োদের মতো। হ্যাঁ, এবার বর্তমানের কথাটাই বলি, কিছু ডকুমেন্টস সংশোধনের প্রয়োজনে চাঁদপুরে আসতে হলো। কাজিনের কথা মতো সন্ধ্যের শেষ লঞ্চটা ধরার চেষ্টা করলাম। কিন্তু ডকুমেন্টস রেডি করতে করতে লঞ্চ ধরার সময় পেরিয়ে গেলো। এবার রাত বারোটার লঞ্চই সহায়। আকাশ কিছুটা মেঘো মেঘো থাকায় লঞ্চের ছাদে বসে তারা গুনে রাত পার করার...

হারানো সুর

জিবন সতত বহমান স্রোতস্বিনী! প্রবাহমান এই স্রোতস্বিনী জলেই একদিন ছেড়াপালে বাইয়ে এইঘাটে এসে ভেড়া; জীর্ণ সফরে পাথেয় ছিলো শুধু এক মুঠো স্বপ্ন। এরপর অন্য এক জিবন শুরু;  ক্যাম্পাস জিবন! আগের বইয়ের খাজে ভাজ করা সাদাকালো রুটিনমাফিক দিনের একমুখী গল্পের পাতাগুলো হঠাৎ রঙ্গিন হয়ে উঠে নানান রঙের ছোয়ায়। সুখ-দুঃখ, আশা-হতাশা, প্রেম-বিরহ! এখানে জিবনের গল্পটা বেশ মেতে উঠে রঙ্গের হোলিউৎসবে। সপ্তমুহনী জলের মিলিত ধারা; এখানে কেউ আর নিজের পুরোনো খোলাসে ধরে রাখতে পারে না, ছেলেবেলা থেকে একান্ত নিঃশ্চুপ ছেলেটিও এখানে তার নিশ্চুপতার নেকাবকে খুলে ফেলতে বাধ্য হয়; সারাবেলা সে টিএসসি-কলা ভবনে আড্ডায় তুখোড় গল্পকার হয়ে উঠে। বেসুরো গলা ভেবে যে কোনদিন গান ধরে নি, সেও রাতজাগা ক্যাম্পাসের গানে সবার সাথে গলা মেলায়; বেসুরো তার স্বরটি অন্য পাঁচটি সুরেলা স্বরে অন্তর্লীন হয়ে সুরেলা ঠাহর হয়। একান্ত পুরুষবাদী অথবা নারীবিবর্জিত সমাজে বেড়ে উঠা ছেলেটি কোন মেয়ের দিকে ফিরেও তাকাবে না শপথ নিলেও মনে অজান্তেই সে একদিন কাউকে প্রিয়া ভেবে বসে। চলমান রাজনীতিকে কাঠের চশমায় দেখলেও ছেলেটি শ্লোগানে-মিছিলে রাজপথকেই একদিন আপন করে নেয়। জিবনের প্র...