জন্ম-বসত যখন দু-তিনটে শহরজুড়ে বিস্তৃত, তখন অনেক কিছুই কাকতালীয়ভাবে ঘটে, আবার তেমনি কখন কোথায় যাচ্ছি-থাকছি তাও খুব আগ থেকে বলে দিতে পারি না। গেলো রোজার ঈদে ঢাকা ছাড়ার দুদিন আগেও জানছি ঈদটা চট্টগ্রামেই করবো, কিন্ত শেষ মুহুর্তে এসে বাবা জানালেন এবার সবাই চাঁদপুরে ঈদ করবো, ব্যাস চলে গেলাম। কোরবানীর ঈদে টঙ্গীতে মামার বাসায় গেলে নানু জেদ করলেন টঙ্গীতেই ঈদ করতে, আমারও অনিচ্ছা ছিলো না, ডজন খানেক পিচ্ছি কাজিন নিয়ে ঈদটা ভালোই জমতো। কিন্তু শেষ মুহুর্তে মহানগর প্রভাতী চেপে চট্টগ্রামে ছুটলাম বাবা মায়ের সাথে ঈদ করবো বলে। টিকেট কেটেও অত্যাধিক ভীড়ে সিটে পৌছতে না পেরে দরজায় ঝুলে থাকার অভিজ্ঞতা খুব করুণ হয়েছিলো। শেষে লোকারন্য কিছু উজাড় হলে সিটে গিয়ে বসলাম, কিন্তু দেখলাম হাত-পা একেবারে কাঁপছে পাড়ার বুড়োদের মতো। হ্যাঁ, এবার বর্তমানের কথাটাই বলি, কিছু ডকুমেন্টস সংশোধনের প্রয়োজনে চাঁদপুরে আসতে হলো। কাজিনের কথা মতো সন্ধ্যের শেষ লঞ্চটা ধরার চেষ্টা করলাম। কিন্তু ডকুমেন্টস রেডি করতে করতে লঞ্চ ধরার সময় পেরিয়ে গেলো। এবার রাত বারোটার লঞ্চই সহায়। আকাশ কিছুটা মেঘো মেঘো থাকায় লঞ্চের ছাদে বসে তারা গুনে রাত পার করার...