হ্যাঁ, এবার বর্তমানের কথাটাই বলি, কিছু ডকুমেন্টস সংশোধনের প্রয়োজনে চাঁদপুরে আসতে হলো। কাজিনের কথা মতো সন্ধ্যের শেষ লঞ্চটা ধরার চেষ্টা করলাম। কিন্তু ডকুমেন্টস রেডি করতে করতে লঞ্চ ধরার সময় পেরিয়ে গেলো। এবার রাত বারোটার লঞ্চই সহায়। আকাশ কিছুটা মেঘো মেঘো থাকায় লঞ্চের ছাদে বসে তারা গুনে রাত পার করার সুযোগ নেই। তাই ব্যাগে করে পোর্টেবল পিলো আর চাদর নিয়ে নিলাম। লঞ্চে উঠে ডেকে চাদর পেতে ঘুমিয়ে পড়লাম। রাত সাড়ে তিনটে নাগাদ লঞ্চ চাঁদপুর ঘাটে চলে এলো। আগেই কথা ছিলো সকাল পাঁচটা-ছয়টা পর্যন্ত লঞ্চে ঘুমিয়ে তারপর নামবো, কারন শেষ রাতে জেলা শহরের পথঘাট পথিকে জন্য অনেকটাই অনিরাপদ। কিন্তু আর ঘুম এলো না। ব্যাগ ঘুচিয়ে নেমে এলাম। প্রথমে ভেবেছিলাম জনশূন্যতায় ভুগবে পথ-ঘাট। কিন্তু না! টার্মিনালে নামতেই দেখি একের পর এক লঞ্চ ভিড়ছে ঘাটে; আর চাঁদপুর যেন চির জাগ্রত। ঘাটে নেমে প্রিয় পানীয় মাঠা পেলাম। বিক্রেতা যেন আমি আসবো বলেই পরসা সাজিয়ে বসে আছে। পাশে ডিঙ্গিতে করে দলছুট জেলেরা ইলিশ বিক্রি করছে। বিয়ে করি নি বলে ইলিশ নিয়ে শশুরবাড়ি যাওয়ার বলাই নেই, তাই কিনলাম না; কিন্তু মনে মনে একে ভবিষ্যতের আবশ্যিক কর্ম হিসেবে ভেবে রাখলাম। কোথাও কোন শহরে-স্টেশনে নামলে আমার প্রথম চাওয়া থাকে চা পান। ব্যক্তিগতভাবে বিশ্বাস করি সিগারেটে টেনে ধোঁয়া ছাড়ায় আর চায়ের পেয়ালার ধোঁয়ার লহরিতে কর্তার বিশেষ নৈপুণ্য প্রকাশ পায়। চায়ের ক্ষেত্রে নিপুণ্যটা যেহতু কর্তা স্থান-পাত্রভেদে ভিন্নতা পায়, তাই কোথাও নেমে সর্বপ্রথম চায়ের স্বাদটাই নিই। খোঁজাখুঁজির বলাই পোহাতে হয় নি, হাতের নাগালেই পেয়ে গেলাম। চায়ের তেষ্টা মিটিয়ে ঘাটের রেলিংয়ে বসে গেলাম পুব আকাশে বর্ণালির পালাবদল আর নদী হতে বয়ে আসা মৃদু সমীরণ পেতে আর আলো ফুটলেই চলে যাবো কাজিনের বাসায়...
হ্যাঁ, এবার বর্তমানের কথাটাই বলি, কিছু ডকুমেন্টস সংশোধনের প্রয়োজনে চাঁদপুরে আসতে হলো। কাজিনের কথা মতো সন্ধ্যের শেষ লঞ্চটা ধরার চেষ্টা করলাম। কিন্তু ডকুমেন্টস রেডি করতে করতে লঞ্চ ধরার সময় পেরিয়ে গেলো। এবার রাত বারোটার লঞ্চই সহায়। আকাশ কিছুটা মেঘো মেঘো থাকায় লঞ্চের ছাদে বসে তারা গুনে রাত পার করার সুযোগ নেই। তাই ব্যাগে করে পোর্টেবল পিলো আর চাদর নিয়ে নিলাম। লঞ্চে উঠে ডেকে চাদর পেতে ঘুমিয়ে পড়লাম। রাত সাড়ে তিনটে নাগাদ লঞ্চ চাঁদপুর ঘাটে চলে এলো। আগেই কথা ছিলো সকাল পাঁচটা-ছয়টা পর্যন্ত লঞ্চে ঘুমিয়ে তারপর নামবো, কারন শেষ রাতে জেলা শহরের পথঘাট পথিকে জন্য অনেকটাই অনিরাপদ। কিন্তু আর ঘুম এলো না। ব্যাগ ঘুচিয়ে নেমে এলাম। প্রথমে ভেবেছিলাম জনশূন্যতায় ভুগবে পথ-ঘাট। কিন্তু না! টার্মিনালে নামতেই দেখি একের পর এক লঞ্চ ভিড়ছে ঘাটে; আর চাঁদপুর যেন চির জাগ্রত। ঘাটে নেমে প্রিয় পানীয় মাঠা পেলাম। বিক্রেতা যেন আমি আসবো বলেই পরসা সাজিয়ে বসে আছে। পাশে ডিঙ্গিতে করে দলছুট জেলেরা ইলিশ বিক্রি করছে। বিয়ে করি নি বলে ইলিশ নিয়ে শশুরবাড়ি যাওয়ার বলাই নেই, তাই কিনলাম না; কিন্তু মনে মনে একে ভবিষ্যতের আবশ্যিক কর্ম হিসেবে ভেবে রাখলাম। কোথাও কোন শহরে-স্টেশনে নামলে আমার প্রথম চাওয়া থাকে চা পান। ব্যক্তিগতভাবে বিশ্বাস করি সিগারেটে টেনে ধোঁয়া ছাড়ায় আর চায়ের পেয়ালার ধোঁয়ার লহরিতে কর্তার বিশেষ নৈপুণ্য প্রকাশ পায়। চায়ের ক্ষেত্রে নিপুণ্যটা যেহতু কর্তা স্থান-পাত্রভেদে ভিন্নতা পায়, তাই কোথাও নেমে সর্বপ্রথম চায়ের স্বাদটাই নিই। খোঁজাখুঁজির বলাই পোহাতে হয় নি, হাতের নাগালেই পেয়ে গেলাম। চায়ের তেষ্টা মিটিয়ে ঘাটের রেলিংয়ে বসে গেলাম পুব আকাশে বর্ণালির পালাবদল আর নদী হতে বয়ে আসা মৃদু সমীরণ পেতে আর আলো ফুটলেই চলে যাবো কাজিনের বাসায়...

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন