গাছের ছায়ায় রং মিলিয়ে,
স্তব্ধ নগরী তখন চাঁদিনী পোহায়
অগোছালো চিকুর ঘাড়ে এলিয়ে।
মত্ত নৈশব্দ ভোলায় ক্লান্ত দিবসটিকে
চোখে দেয় কল্পনার আলপনা আঁকিয়ে;
নিশির ছোয়া লাগে পাপড়ি পাতায়
জাগে প্রিয়ার চাহনি; অভিমানী মুখ ফুলিয়ে।
আমায় ডাকে তবু হলুদ জোনাকদল
বেদনার জলে মন ডোবাতে;
নষ্ট তপন মোছে সুখের কুঁয়াশা
কষ্টের নীল রঙ্গে রাঙ্গাতে।
বাতায়নে দেখি পূবের আকাশ,
সেতারা খুলেনি তার দোর;
আঁধারের মায়াবী জগৎ জুড়ে
চাঁদটি একাকী জেগে; জোস্নাময় ঘোর।
নিরবে বহে সময়, সর্পিল দীর্ঘিকা-
ছলাৎ ছল ইছামতীর জল
দোল খায় মনে ফেরারী স্মৃতি
ঝরে ফুল; নিয়তির হিজল।
ত্রিকাল আজি একাকার
অতীত, ভবিষ্য আর সমকাল,
হারানো সুর বাজে হৃদয় গহীনে
কাল জুড়ে মগ্ন চৈতন্যের জয়গান।
কি চাহ রজনী?
কেন অমন মায়াবী তোমার ঘোর??
কেন চোখে ঢালো নির্ঘুমতা!
হৃদয়কে হরন কর মোর!!
কবিতা: রাত্রির নৈশব্দে অবগাহন।
লেখা: মোহাম্মদ বাহা উদ্দীন।
আবৃত্তি:
https://youtu.be/V5q4OA9trGA?si=EumYcLMWQkfMS96N

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন