গাছের দীর্ঘ ছায়ায় রং মিলিয়ে,
স্তব্ধ নগর তখন চাঁদিনী পোহায়
অগোছালো চিকুর ঘাড়ে এলিয়ে।
মত্ত নৈশব্দ ভোলায় দিনকে
চোখে দেয় ঘুমের পরশ বুলিয়ে,
নিশির ছোয়া লাগে পাপড়ি পাতায়,
জাগে প্রিয়ার চাহনি; অভিমানী মুখ ফুলিয়ে।
আমায় ডাকে তখন হলুদ জোনাকীদল
বেদনার জলে মন ডোবাতে,
নষ্ট তপন মোছে সুখের কুয়াশা
কষ্টের নীল রঙ্গে রাঙ্গাতে।
বাতায়নে দেখি পুবের আকাশ;
সেতারা খুলেনি তার দোর,
আঁধারের মায়াজাল জগৎ জুড়ে
অমানিশার প্রমত্ত ঘোর।
নিরবে বহে সময়, দীঘল তটিনী
অদ্ভুত স্বাদ তার নোনাজল,
হৃদয়ে দোল খায় চেপে রাখা কথা
ঝরে ফুল, নিয়তির হিজল।
ত্রিকাল এখানে হয় একারকার
অতীত, ভবিষ্য আর বর্তমান;
হারানো সুর বাজে গহীন বনে
কাল জুড়ে মগ্ন দ্রোহের জয়গান।
কি চাহ রজনী?
কেন অমন মায়াবী তোমার ঘোর??
কেন চোখে ঢালো নির্ঘুমতা!
হৃদয়কে হরন কর মোর!!

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন