থরে থরে বিসিএস বইয়ে টেবিলটা সাজানো
হাতে টেক্সট বুক-স্লাইড ----
সবগুলো লাইন তার বিচিত্র কালিতে কাটা,
লাল-নীল রঙ্গের সে কালির খেলায় এঁকেছ
সহজলভ্য ভবিষৎতের গল্পটা;
এই পড়ন্ত বিকেলেও তাই
বইখুলে পড়ছো বসে একা।
দুদিন পরে হাই সিজির সার্টিফিকেটটা গলায় ঝুলিয়ে ভিক্ষেয় নামবে
"গভমেন্ট অফিসের ওই বড় কেরানীর পদে
নিয়ে নিন না আমায়!"
তারপর-----
একখান সুশ্রী বৌ, দু-চারটে সুঠাম দেহী বাচ্ছা
আর বৃদ্ধকালে পাঁকা দাড়ির মাল্লাস,
সিভির ক্যারিয়ার অভজেক্টিভস আর ফিউচার প্লানিং এর ফাঁকে জিবনটা এভাবেই খাল্লাস।
কিন্তু!
কি করেছো জিবনে?
কখনো কি রাত্রি জেগে চেয়ে দেখছো আকাশ পানে?
কয়টি তারা সেখানে আলোকদিয়া হয়ে জ্বলে উঠে,
জলসানো চাঁদটির পাশে;
ঘুমন্ত নিরব মহানগরীর কিনারে!
কি করেছো জিবনে!
কখনো কি লোকোট্রেনে ছড়ে ছুটে গিয়েছিলে নিরুদ্দেশে?
শহর-বন্দর-গ্রামের প্রান্ত ছুয়ে যে ট্রেনটি ছুটে যায়
তার দরজায় দু'খান পা ছড়িয়ে বসে বাদাম খেতে খেতে
উপলব্দী করছিলে কখনো?
আন্তনগর এই ট্রেনটির মতোই মহাকাল কতো দ্রুত চলছে!
গতকালের দিনটিকেও পেছনে ফেলে?
দু'খান পাঠ্যবই মুখস্ত করেছো
এই ঢের!
জিবনটা এখানেই শেষ?
সিনেমা-মুভি দেখেছো কখন রাত্রি জেগে?
একের পর এক রাত কেটে যাচ্ছে অবলীলায়
অথচ তুমি চোখের পাতা জাগিয়ে রেখেছো
ক্যারিবিয়ানের পাইরেটস কিভাবে ব্লাক পার্ল উদ্ধার করে
তা দেখবে বলে!
হয়েছিলো এমনটা কখনো?
একালে উপন্যাসের নেশায় মত্ত হয়েছো কখনো?
পাশে রুমমেটের নাক ডাকা শব্দে কাঁপছে ঘুমন্ত পুরী,
অথচ তুমি;
মোবাইলের ফ্লাস-লাইটটা জ্বেলে পাতা উল্টে যাচ্ছো ত্রিযমা রাত্রী-নিশিতে!
সে পাতাটি ছুঁয়ে দেখেছো কখনো?
যে পাতায় শরত, বঙ্কিমরা এঁকেছে
কালের ধ্রুপদী ছায়াছাবি;
ক্লেষ্ট জর্জরিত গ্রামীণ সমাজের প্রতিচ্ছবি!
লাইব্রেরী আর রিডিং রুমের পরিসীমায় নিজেকে বদ্ধ রেখেছো,
কিন্তু!
পাশ ফিরে কখনো দেখেছো?
এই শহরটা নিয়ন আলোয় কেমন দেখায়?
রাতজাগা যে পাখিটি গান গায় বিরহে
কখনো কি পিছু ফিরে চেয়েছিলে তার মায়ায়!
প্রিয়ার প্রেমে প্রত্যাখ্যাত হয়ে যে ছেলেটি স্ট্রিট ল্যাম্পের নিচে দাড়িয়ে
জলন্ত সিগারেটের পৃষ্ঠদেশে চুমুক এঁকে দেয়,
কখন কান পেতে শুনেতে চেয়েছো?
বিড়বিড় করে কি বলে সে, সেই বেলায়!
বুকের পাঁজর ছিড়ে একদলা কষ্টকে ধোঁয়ায় সাথে উৎগিরিত করে দিয়ে সে বলে
"পুড়িয়ে দিয়েছি না পাওয়ার সব বেদনাগুলোকে,
আমি আবার নতুন কাব্য রচিবো।"
বলি!
সাড়ে বত্রিশ-কুড়িঁর জিবনটাকে আঁটকে রেখো না
শুধু হাই সিজি আর বিসিএস বইয়ের তলে;
মাঝে মাঝে চোখ মেলে দেখিও
চারপাশটায় কি হচ্ছে তোমার,
কি ঘটছে চৌদিকে!!
হাতে টেক্সট বুক-স্লাইড ----
সবগুলো লাইন তার বিচিত্র কালিতে কাটা,
লাল-নীল রঙ্গের সে কালির খেলায় এঁকেছ
সহজলভ্য ভবিষৎতের গল্পটা;
এই পড়ন্ত বিকেলেও তাই
বইখুলে পড়ছো বসে একা।
দুদিন পরে হাই সিজির সার্টিফিকেটটা গলায় ঝুলিয়ে ভিক্ষেয় নামবে
"গভমেন্ট অফিসের ওই বড় কেরানীর পদে
নিয়ে নিন না আমায়!"
তারপর-----
একখান সুশ্রী বৌ, দু-চারটে সুঠাম দেহী বাচ্ছা
আর বৃদ্ধকালে পাঁকা দাড়ির মাল্লাস,
সিভির ক্যারিয়ার অভজেক্টিভস আর ফিউচার প্লানিং এর ফাঁকে জিবনটা এভাবেই খাল্লাস।
কিন্তু!
কি করেছো জিবনে?
কখনো কি রাত্রি জেগে চেয়ে দেখছো আকাশ পানে?
কয়টি তারা সেখানে আলোকদিয়া হয়ে জ্বলে উঠে,
জলসানো চাঁদটির পাশে;
ঘুমন্ত নিরব মহানগরীর কিনারে!
কি করেছো জিবনে!
কখনো কি লোকোট্রেনে ছড়ে ছুটে গিয়েছিলে নিরুদ্দেশে?
শহর-বন্দর-গ্রামের প্রান্ত ছুয়ে যে ট্রেনটি ছুটে যায়
তার দরজায় দু'খান পা ছড়িয়ে বসে বাদাম খেতে খেতে
উপলব্দী করছিলে কখনো?
আন্তনগর এই ট্রেনটির মতোই মহাকাল কতো দ্রুত চলছে!
গতকালের দিনটিকেও পেছনে ফেলে?
দু'খান পাঠ্যবই মুখস্ত করেছো
এই ঢের!
জিবনটা এখানেই শেষ?
সিনেমা-মুভি দেখেছো কখন রাত্রি জেগে?
একের পর এক রাত কেটে যাচ্ছে অবলীলায়
অথচ তুমি চোখের পাতা জাগিয়ে রেখেছো
ক্যারিবিয়ানের পাইরেটস কিভাবে ব্লাক পার্ল উদ্ধার করে
তা দেখবে বলে!
হয়েছিলো এমনটা কখনো?
একালে উপন্যাসের নেশায় মত্ত হয়েছো কখনো?
পাশে রুমমেটের নাক ডাকা শব্দে কাঁপছে ঘুমন্ত পুরী,
অথচ তুমি;
মোবাইলের ফ্লাস-লাইটটা জ্বেলে পাতা উল্টে যাচ্ছো ত্রিযমা রাত্রী-নিশিতে!
সে পাতাটি ছুঁয়ে দেখেছো কখনো?
যে পাতায় শরত, বঙ্কিমরা এঁকেছে
কালের ধ্রুপদী ছায়াছাবি;
ক্লেষ্ট জর্জরিত গ্রামীণ সমাজের প্রতিচ্ছবি!
লাইব্রেরী আর রিডিং রুমের পরিসীমায় নিজেকে বদ্ধ রেখেছো,
কিন্তু!
পাশ ফিরে কখনো দেখেছো?
এই শহরটা নিয়ন আলোয় কেমন দেখায়?
রাতজাগা যে পাখিটি গান গায় বিরহে
কখনো কি পিছু ফিরে চেয়েছিলে তার মায়ায়!
প্রিয়ার প্রেমে প্রত্যাখ্যাত হয়ে যে ছেলেটি স্ট্রিট ল্যাম্পের নিচে দাড়িয়ে
জলন্ত সিগারেটের পৃষ্ঠদেশে চুমুক এঁকে দেয়,
কখন কান পেতে শুনেতে চেয়েছো?
বিড়বিড় করে কি বলে সে, সেই বেলায়!
বুকের পাঁজর ছিড়ে একদলা কষ্টকে ধোঁয়ায় সাথে উৎগিরিত করে দিয়ে সে বলে
"পুড়িয়ে দিয়েছি না পাওয়ার সব বেদনাগুলোকে,
আমি আবার নতুন কাব্য রচিবো।"
বলি!
সাড়ে বত্রিশ-কুড়িঁর জিবনটাকে আঁটকে রেখো না
শুধু হাই সিজি আর বিসিএস বইয়ের তলে;
মাঝে মাঝে চোখ মেলে দেখিও
চারপাশটায় কি হচ্ছে তোমার,
কি ঘটছে চৌদিকে!!

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন